কলমের খোঁচা

বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস নিয়ে কিছু কথা


সূপর্ণা রায়: চিন্তন নিউজ:১৪ই নভেম্বর:- সহজ ভাবে বলতে গেলে এটাই বলতে হয় রক্তে চিনির মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে মধুমেহ বা ডায়াবেটিস বলা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব ডায়বেটিস ফেডারেশন এই ১৪ ই নভেম্বর দিনটিকে বিশ্ব ডায়বেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। কারন এই দিনেই বিজ্ঞানী ফ্রেডরিক জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি ও বিজ্ঞানী চার্লস একত্রে মারণ রোগ ডায়াবেটিস এর ওষুধ ইনসুলিন আবিষ্কার করেন। ২০০৭-২০০৮ সাল ছিল শিশু ও তরুণদের ডায়বেটিস সচেতন করার জন্য নির্ধারিত। এর একটাই লক্ষ্য ছিল শিশুদের ডায়বেটিস সম্পর্কে সচেতন করা এবং স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা। শিশুদের সাধারণত টাইপ-২ ডায়বেটিস হয়। লক্ষ ছিল কোন শিশু যেন ডায়বেটিস এর জন্য মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে।। একটি নীল রঙের গোলককে ” লোগো” বিশ্বব্যপী ডায়াবেটিস রোগকে পরাভূত করার সূচক। জানা গেছে পৃথিবীর প্রায় ২৫ কোটি মানুষ এই মারণ রোগের স্বীকার এই মুহূর্তে।।বিশ্বে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়ছে এই মারণ রোগ। ধনী বা দরিদ্র বলে কিছু নেই ,সবারই হতে পারে এই রোগ। জানা গেছে ৭০ শতাংশ ডায়বেটিস সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল করা যায় যদি রোগ হওয়ার আগেই চিকিৎসা শুরু করা যায়। এই রোগ কোনভাবেই সাথে না ডায়াবেটিস হলে সাবধানতা অবলম্বন করে নিয়ন্ত্রিত জীবন যাপন করতে হয়। এই রোগ নিয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার কারণ যত রোগী আছে তারমধ্যে ৫০ শতাংশ রোগী জানেই না তাদের ডায়বেটিস আছে। এই জন্য এই রোগকে “” সাইলেন্ট কিলার”” বলা হয়।।

ডায়বেটিস অত্যন্ত ব্যয়বহুল রোগ। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কোন বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়। ডায়বেটিস প্রতিরোধে সচেতনতা ছাড়া আর কোন গতি নেই। খাদ্যাভ্যাস এর পাশাপাশি কায়িক পরিশ্রম করা অত্যন্ত জরুরি বলে ডাক্তারবাবুদের মত। নিয়মিত ভাবে হাঁটা ও ব্যায়াম করা এবং বাইরের ফাস্টফুড কর্নারে গিয়ে খাওয়া একেবারেই বর্জন করতে হবে।।কোমল পানীয় বর্জন এবং তামাক জাত জিনিস নেওয়া বন্ধ করতে হবে। যাদের পরিবারে ডায়বেটিস আছে তাঁদেরকে অতি অবশ্যই নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।