দেশ রাজ্য

আবাস যোজনা এখন কাটমানির ঘুঘুর বাসা।


চৈতালী নন্দী:চিন্তন নিউজ:৩০শে জুলাই:—আবাস যোজনার বাড়ি যেন কাটমানির ঘুঘুর বাসা।।

উদ্দেশ্য ছিল মহৎ,গরীব মানুষের মাথায় ছাদের সংস্থান করা।কেন্দ্রীয় সরকারের সেই আবাস প্রকল্প ঘিরে বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ছে।যেখানে যতো বেশী পাকা ঘর হচ্ছে সেখানেই মানুষের ক্ষোভ ও অভিযোগ সবচেয়ে বেশি।তথ‍্য বলছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার সুযোগ যে স্থানের মানুষ বেশী গ্রহন করেছেন কাটমানির ভূত সেখানেই বেশী তাড়া করে বেড়াচ্ছে।
বিজেপির নেতা সায়ন্তন বসু বলেছেন যে ,মানুষ যে মিথ্যা কথা বলছেনা,তা বোঝাই যাচ্ছে। এর পায় পয়সা মানুষকে ফেরত দিতে হবে। যদিও তৃনমূল এর সুব্রত মুখার্জির অভিযোগ বিজেপি পরিকল্পনা করে বিক্ষোভ করাচ্ছে।এখানে সমস্যা একটাই এই সব টাকা তো কেউ চেকে পেমেন্ট করেনি।দিতে হয়ছে নগদে।ফলে এইসব অভিযোগ গুলো প্রমাণ করা সত‍্যিই কঠিন।
কিন্তু বাতাসে কান পাতলে শোনা যায় অন্য কথা।যে সব এলাকায় বেশী বাড়ি হয়েছে, যেমন হুগলী জেলা ,সেখানে ২০১৮-১৯ এ ৬০৪৩৭ টি বাড়ি তৈরি হয়েছে।সেখানে কাটমানির কারনে বিক্ষোভ হয়েছে ৩৪ টি।এ ছাড়াও রয়েছে পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া জেলা।যেখানে কাটমানির শত শত অভিযোগ রয়েছে।যদিও এর ব‍্যাতিক্রমি ঘটনাও রয়েছে।অপেক্ষা কৃত অনুন্নত অঞ্চল গুলো তে অভিযোগ এর সংখ্যা কম।তাই বলে ওখানে নেতা রা কাটমানি খাননি এমন নয়,ঐসব অঞ্চলের মানুষের সচেতনতা কম,অনেক ক্ষেত্রে অশিক্ষা র কারনে তারা প্রতিবাদ করতে ভয় পায়।
লোকসভায় এরাজ্যে থেকে শূন্য হয়ে যাওয়া বামপন্থী দের বিরুদ্ধে কিন্তু এসব অভিযোগ কোনো দিন ওঠেনি।কারন পার্টির শৃঙ্খলা ও আদর্শ কর্মী ও নেতাদের দূর্নীতি থেকে দূরে রাখতে সক্ষম ছিল।আর তৃনমূল যে শুধু আবাস যোজনা নিয়েই অভিযোগ এর সম্মুখীন হয়েছে এমন তো নয়।সরকারি টাকা যখনই তাদের হাত দিয়ে বন্টন করা হয়েছে সবক্ষেত্রেই রয়েছে অভিযোগের পাহাড়।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।