জেলা

হুগলি বার্তাঃ-


চিন্তন নিউজঃ- সুদীপ্ত সরকারঃ-গতকাল থেকে হুগলী জেলা গ্রামীণ পুলিশ আধিকারিকদের তত্বাবধানে তদন্ত চললেও আজও মৃত নাবালিকার মৃত্যুর কিনারা করে উঠতে পারেনি পুলিশ। মৃত নাবালিকা নিখোঁজের রাত থেকেই আমাদের পার্টির পক্ষ থেকে সুদীপ্ত ঘোষ, প্রশান্ত পাকিড়া পরিবারটির সাথে যোগাযোগ রাখেন। আজ বেলা বাড়তেই জাতীয় কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্ব পরিবারটির সাথে দেখা করতে গেলে গ্রামবাসীরা বাধা দেন। প্রতিনিধিদলের গাড়িটি ভাঙচুর হয়। এই ঘটনার কিছু সময় পর রাধাণগর অঞ্চলের প্রধান নমিতা দাস ও ঐ অঞ্চলের শাষক দলের দুই নেতা পরিবারটির সাথে দেখা করতে গেলে ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়ে। গ্রামের মহিলারা ঝাঁটা নিয়ে তিনজনকে মারতে মারতে পাড়ার বাইরে পাঠিয়ে দেন।
সিপিআই এম পার্টির জেলা সম্পাদক ও রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড দেবব্রত ঘোষ, জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য কমরেড ফারুক আহমেদ লস্কর, দিপ্তী চ্যাটার্জি , জেলা কমিটির সদস্য কমরেড স্বপন বটব্যাল,সুদীপ্ত সরকার, মহিলা সমিতির নেত্রী শিবানী দাশগুপ্ত, অর্চনা মণ্ডল, সুজাতা বিশ্বাস, মমতা বসুমল্লিক, চন্ডীতলা ১নং এরিয়া কমিটির সম্পাদক কমরেড সঞ্জয় ঘোষ ও জাঙ্গীপাড়া পার্টির নেতৃত্ববৃন্দ এবং অসংখ্য কর্মী ঐ এলাকায় উপস্থিত হন। পুলিশ প্রশাসনের অনুরোধ মেনে কমরেড দেবব্রত ঘোষ, সুদীপ্ত সরকার, সুদীপ্ত ঘোষ, প্রশান্ত পাকিড়া পরিবারটির বাড়িতে উপস্থিত হন। কমরেড দেবব্রত ঘোষ মৃত নাবালিকার মায়ের ও জেঠুর সাথে কথা বলেন। এই নারকীয় ঘটনার সুবিচার পেতে পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেন। পুলিশ প্রশাসনের দুই দিনের মেয়াদ শেষে অপরাধী গ্রেফতার না হলে প্রয়োজনে দলমত নির্বিশেষে থানা ঘেরাও করার কথা বলেন।
কৃষ্ণপুর গ্রাম থেকে ফিরে দেবব্রত ঘোষের নেতৃত্বে ফারুক আহমেদ লস্কর, দিপ্তী ব্যানার্জী, স্বপন বটব্যাল, সুদীপ্ত সরকার, শিবানী দাশগুপ্ত, অর্চনা মণ্ডল, সঞ্জয় ঘোষ,হরপ্রসাদ সিংহরায়,সুদীপ্ত ঘোষ এই দশ জনের প্রতিনিধিদল দোষীদের গ্রেফতার ও উপযুক্ত শাস্তির দাবীতে, দোষী ডিউটি অফিসারদের বিভাগীয় তদন্তের দাবীতে, কানাইপুর, কৃষ্ণপুর, শ্রীহট্ট, নেগুড়া এলাকায় একটি মৌলবাদী সংগঠন ও একটি রাজনৈতিক দল গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টাকে কঠোর হাতে দমন করতে হবে মূলতঃ এই তিন দাবী নিয়ে জাঙ্গীপাড়া থানায় স্মারকলিপি প্রদান করেন।

দীপন মুখার্জীঃ-চলে গেলেন হুগলি জেলার কমরেড আশিষ ব্যানার্জী, সবার প্রিয় অকৃতদার পার্টিজান কেষ্ট দা, বেশ কিছুদিনের কিডনিজনিত স্বল্প অসুস্থতার পর, রাত বারোটায় শ্রীরামপুরের শ্রমজীবী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন |২০১১ সালের পরিবর্তনের সময় অনেকবার আক্রান্ত হয়েছিলেন কমরেড কেষ্ট দা, কিন্ত কেষ্ট দা লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন।

বেতনের অর্ধেকের ও বেশি অর্থ নির্বাচনের সময় খরচ দেখা যেত কেষ্ট দাকে , পাড়ার যেকোন কার ও দরকারে কেষ্ট দা সব সময় উপস্থিত থাকত |কম্ আশিষ ব্যানার্জী লাল সেলাম

Up

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।