জেলা রাজ্য

দেব কুমার ভূঁইয়াকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে খুন, সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবিতে হেঁড়িয়াতে বিশাল মিছিল সিপিআই(এম) এর


সায়ঙ্ক মন্ডল:-চিন্তন নিউজ:-৬ই জুলাই:- গত ৪ঠা জুলাই গভীর রাত্রে বারাতলা অঞ্চলের বারাতলা গ্রামের সি,পি,আই,(এম)র শাখা সদস্য দেব কুমার ভূঁইয়াকে তৃনমূলের সমাজবিরোধীরা বাড়ি থেকে তুলে এনে নৃশংসভাবে পিটিয়ে খুন করে বামুনচক রাস্তার কাছে ফেলে যায়। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রয়াত দেব কুমার ভূঁইয়া এলাকার সিপিআই(এম) এর একনিষ্ঠ, সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০০৯ সাল থেকে তৃনমূলী সন্ত্রাসে ঘরছাড়া ছিলেন। বহু মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে। ২০১৮ সালে ঘরে ফেরেন। আবার ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের পরে তাঁকে এলাকার তৃনমূলীরা মারধোর করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেয়।

গত ৪ঠা জুলাই কাঁথি থেকে সেই মামলায় হাজিরা দিয়ে রাত্রে বাড়ি ফিরে ছিলেন। দুষ্কৃতিরা পিছু নিয়ে বাড়ি পর্য্যন্ত যায়। বাড়ি থেকে তুলে এনে ফাঁকা মাঠে ইটভাটায় ফেলে মেরে কাছেই বামুন চকে ফেলে দেয়। বাড়িতে স্ত্রী, এক মেয়েকে নিয়ে সারারাত আতঙ্কে পড়ে থাকে। আর এক মেয়ের বিয়ে হয়েছে পাঁউশিতে। সকালে জানাজানির পর এলাকার পার্টি নেতৃত্বগন পুলিশে খবর দেন। এবং খেজুরী থানায় পার্টি নেতা পরিতোষ পট্টনায়েক, সেক জাহারাজ আলি, রত্নেশ্বর দোলইরা গিয়ে প্রকৃত খুনিদের ধরে যথাযোগ্য শাস্তি দেওয়ার দাবি জানায়। তাঁর স্ত্রী অভিযোগদায়ের করেন। এর প্রতিবাদে খেজুরী, হেঁড়িয়াতে সি,পি,আই,(এম)র বিক্ষোভ মিছিল হয়। এবং পথ অবরোধ হয়। পুলিশ চাপে পড়ে তদন্ত শুরু করেছে। তৃনমূলীরা তার স্ত্রীকে অাটকে রেখেছে। পুলিশ ঐ এলাকার তিমির মন্ডল নামে এক টোটো চালককে আটক করেছে। ঐ দিন গভীর রাত্রে ঐ টোটোতে দেব কুমারের দেহ বয়ে নিয়ে বামুন চকে ফেলে দিয়ে যায়। সি,পি,আই(এম) নেতা হিমাংশু দাস দাবী করেছেন। ঐ টোটোওয়ালাকে জেরা করলে এই খুনের বড় বড় মাথা ধরা পড়বে।

খেজুরীর পুলিশ যেন শাসক দলের হয়ে কাজ না করে। হেঁড়িয়াতে বিশাল মিছিল এলাকা পরিক্রমা করে। দোষীদের শাস্তির দাবী করা হয়। নেতৃত্ব দেন রাজ্য কমিটির সদস্য হিমাংশু দাস, পরিতোষ পট্টনায়ক,যাদবেন্দ্র সাহু, গোকুল ঘোড়াই, অশনি পাত্র, রত্নেশ্বর দোলই। অতুল্য উকিল প্রমুখ নেতৃত্বগন।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।