রাজ্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন সৃষ্টি, দেওয়ালে ‘ব্রেইল গ্রাফিটি’


চৈতালী নন্দী:চিন্তন নিউজ:৯ই মার্চ:–যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল পড়ুয়ার উদ‍্যোগে দেওয়ালে সৃষ্টি হোলো দৃষ্টিহীনদের জন‍্যে ব্রেইল গ্রাফিটি,যা এরাজ‍্যে নয় সম্ভবত এদেশে প্রথম।।

গ্রাফিটি হোলো প্রতিবাদের একটি জনপ্রিয় হাতিয়ার।মানুষের মনের দ্বাররুদ্ধ কথা সেজে ওঠে রঙে রেখায় আর অক্ষরে ।যা ভরিয়ে দেয় বড় বড় দেওয়াল ,বলে দেয় অনেক কথা ,যা অনায়াসেই পৌছে যায় মানুষের কাছে।
যাদবপুরের স্নাতকোত্তর ইংরেজি বিভাগের ছয় পড়ুয়ার’লিটারেচার এন্ড মারজিনালিটি’ কোর্সের অন্তর্ভুক্ত বিশেষ মডিউল ‘ডিসএবিলিটি এন্ড লিটারেচার’ এর প্রেজেন্টেশন করতে গিয়ে এই ব্রেইল গ্রাফিটির কথা মাথায় আসে। এই দলটির সঙ্গে প্রথম থেকেই জড়িয়ে ছিলেন অধ‍্যাপক ঈশান চক্রবর্তী। দলটির নাম দেওয়া হয় ‘গ্রাফিটি জয়েন্ট’।এই নতুন কিছু সৃষ্টির ভাবনাতেই ইউজিসি আর্টস বিল্ডিংয়ের দেওয়ালে জন্ম নেয় ব্রেইল গ্রাফিটির এক অনবদ্য সৃষ্টি , যা এরাজ‍্যে শুধু নয় এদেশে ও সম্ভবত প্রথম।

একসময় দৃষ্টিহীনদের কাছে জগৎ ছিল শুধুই শব্দময়। কিন্তু যেদিন লুই ব্রেইলের হাত ধরে জন্ম নিলো ব্রেইল সিস্টেম ,সেদিন থেকে দৃষ্টিহীনদের জগতটাই বদলে গেল। শুধুমাত্র বই পড়া নয় কম্পিউটার থেকে আরম্ভ করে অনেক নতুন দিশা দেখালো ব্রেইল সিস্টেম। ইউরোপ ,আমেরিকার মতো দেশগুলোতে এই ব্রেইল গ্রাফিটির জনপ্রিয়তা প্রচুর।কলকাতা বিভিন্ন ধরনের শৈল্পিক গ্রাফিটি দেখেছে, কিন্তু ব্রেইল একেবারেই নতুন ধারনা নতুন সংযোজন।
ব্রেইল গ্রাফিটিতে লেখা হয়েছে ‘সাবঅল্টার্ন’, যা প্রকৃত অর্থেই প্রান্তিক মানুষের প্রতিবাদের ভাষা, যা এবার পৌছে যাচ্ছে দৃষ্টিহীনদের কাছে।শিল্প ,সাহিত্য থেকে জীবনের প্রতিটি উপাদানে আমাদের সবার অধিকার। তা হয়ে উঠুক সার্বজনীন।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।