জেলা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা জুড়েই ১৯৫৯ সালের খাদ্য আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ


চিন্তন নিউজ : ১ লা সেপ্টেম্বর:– সমগ্র  দক্ষিণ  চব্বিশ  পরগনা  জেলা জুড়েই ১৯৫৯ সালের খাদ্য আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ  করা হয় .
আমাদের বাটা -মহেশ তলা  থেকে  প্রতিনিধি চন্দনা  বাগচী  জানাচ্ছেন যে, আজ  বাটা -মহেশ তলা সিপিআইএম এর এরিয়া কমিটির  অন্তর্গত সমস্ত  শাখা  গুলোতে শহীদদের স্মরণ  করা  হয় , পতাকা উত্তোলন, মাল্য দানের মধ্যে  দিয়ে. হ্যাঁ ঠিক  ১৯৫৯ সালে সারা বাংলা  জুড়ে ধ্বনিত হয়েছিলো  বুভুক্ষু মানুষের  হাহাকার। সর্বত্রই  সারা বাংলা জুড়ে একটাই আওয়াজ দুটো ফ্যান দাও মা , কতদিন  খাই নি. এই অসহায়  মানুষ  গুলোর আর্তনাদ আর কোনো দলের  কাছে  না পৌঁছলেও বামপন্থী  দের কানে পৌঁছেছিলো  !রাস্তায় দাঁড়িয়ে অভুক্ত মানুষ গুলোর হয়ে লড়াই করতে  পুলিশের গুলিতে 80জন  প্রতিবাদী কে শহীদের  মৃত্যু বরন করতে হয়.

আমাদের আর এক প্রতিনিধি  বিশ্বনাথ  পাঁজা জানাচ্ছেন যে বিড়লাপুর -বাওয়ালি এরিয়া কমিটির অন্তর্গত বিড়লা জুট মিলের ইউনিয়ন অফিসে  পতাকা  উত্তোলন করা  হয় , সাথে  খাদ্য আন্দোলন নিয়ে আলোচনা  করা  হয়।

লেদার  কমপ্লেক্স অঞ্চল থেকে আমাদের প্রতিনিধি  মানসী  ঘোষ  জানাচ্ছেন যে আজ  ঐ অঞ্চলে  সিপিআইএম এরিয়া কমিটির অন্তর্গত সমস্ত  শাখায়  রক্ত পতাকা  উত্তোলন এবং শহীদ  বেদীতে মাল্যদানের মধ্য  দিয়ে খাদ্য শহীদ  দিবস  পালন  করা  হয়। তার সাথে  বামন ঘাটা পার্টি অফিসে  এক আলোচনা  সভার  আয়োজন  করা  হয় , উক্ত সভায়  খাদ্য আন্দোলনের তৎপর্য  ব্যাখ্যা করেন  গণশক্তি  পত্রিকার সম্পাদক  দেবাশীষ চক্রবর্তী এবং  খেত. মজুর ইউনিয়ন এর সভাপতি তুষার ঘোষ .

সোনারপুর উত্তর অঞ্চলের  নরেন্দ্রপুর থেকে  ডালিয়া চ্যাটার্জী জানাচ্ছেন যে শ্রী খন্ডা . নবগ্রাম  এর সমস্ত  শাখা গুলোতে খাদ্য শহীদ  দিবস  পালন  করা হয় মাল্য দান এবং  রক্ত পতাকা উত্তোলনের মধ্যে  দিয়ে.
জয়নগর  অঞ্চল ও আজকের দিনটা যথেষ্ট  উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে  পালিত হয় .

রমা  চক্রবর্তী জানাচ্ছেন যে দু নম্বর এরিয়া কমিটি র সর্বত্র পালন  করা  হয় . মাল্য দান ও পতাকা উত্তোলন এর মধ্যে দিয়ে, আজ এই অতিমারীর সময়  যখন  মানুষের  হাতে কাজ নেই, রোজগার নেই, তখন  রাজ্যের ও কেন্দ্রের দুটি দলের এক জন  ব্যাস্ত আছে  কি কি করে  দেশ  বিক্রী করবো . কি করে  কর্পোরেট  দের খুশি  করবো . যখন  কৃষক  তার দাবি তে লড়াই করতে  গিয়ে শহীদ  হতে  হয় , যেমন টা হয়েছিলো  1959সালে সেই দিনও 80জন  কে পুলিশের গুলি খেতে  হয়েছিলো  আজও তাই বুর্জয়া দের প্রকৃতির কোনো কোনো মৌলিক  তফাৎ  নেই. শুধু  রঙের  পার্থক্য আছে , অন্য দিকে রাজ্যে র মাননীয়া  গত  দশ  বছরে  মানুষ কে ভিখারি বানিয়ে লক্ষীর ভান্ডার দিয়ে কিছু ভিক্ষা দিতে শুরু করেছেন . চাকরি  নেই, মানুষের  হাতে অর্থ নেই.কাজ হারিয়ে বেকার হয়েছেন অসংখ্য  মানুষ, ঠিক  এই সময়  বামপন্থী  দের শ্রমজীবী  ক্যান্টিন কিছুটা  গরীব দের রিলিফ দিয়েছে .

মগরাহাট  থেকে  দেবরাজ মন্ডল  জানাচ্ছেন যে আজ  ধামুয়া থেকে  মগরাহাট  পর্যন্ত মগরাহাট এরিয়া কমিটির  অন্তর্গত সর্বত্র খাদ্য শহীদ  দিবস  পালন  করা  হয় . এছাড়া  উস্থি পার্টি অফিসে  বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে  দিয়ে আজকের দিনটা পালন  করা হয় .

পূর্ব যাদবপুর থেকে  আমাদের প্রতিনিধি দেবু রায় জানাচ্ছেন যে আজ পূর্ব যাদবপুর এরিয়া কমিটির  অন্তগত  প্রতিটি শাখায় আজকের দিনটা পালন  করা  হয় . এছাড়া  আগামী ১৮/০৯ ও ১৯/০৯ ডিওয়াই‌এফ‌আই কলকাতা  জেলার সম্মেলন  উপলক্ষে ৮বি থেকে  রানীকুঠি পর্যন্ত ছাত্র -যুবদের উদ্যোগে এক মিছিল  করা  হয় .


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।