জেলা

আন্দোলনের পীঠস্থান বাংলা জানালো চাষীদের লড়াইকে কুর্নিশ………


চিন্তন নিউজ:২৯/১১/২০২০–মধ্য যাদবপুর থেকে দেবু রায়ের রিপোর্ট.. স্বাধীনতা পর সবথেকে ভয়ঙ্কর দক্ষিণপন্থী সরকার কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত l যে সরকারের মূল চালিকা শক্তি আরএসএস নামক একটি প্রাক -পুঁজিবাদী সামন্তবাদী ও মৌলবাদী সংগঠনের হাতে রয়েছে l মতাদৰ্শর দিক থেকে সামন্তবাদী হওয়ায় সরকারি নীতি নৈতিকতায় সেই চেহারা পরিষ্কার ভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে l বিগত ছয় বৎসরের শাসন ব্যবস্থায় দেখা যাচ্ছে শ্রমিক কৃষক, ছাত্র যুব ও দলিত – আদিবাসী মহিলাদের পরাধীনতার শিকলে বাঁধবার জন্য একটার পর একটা সামন্তবাদী ও ফ্যাসিস্ট আইন পাস করেছে এই অত্যাচারী সরকার l

বিশ্ব জুড়ে করোনা মহামারীর দাপটে যখন প্রান্তিক মানুষের বেঁচে থাকাটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঠিক সেই সময় এই ফ্যাসিস্ট সরকার কৃষকদের শোষণ শৃঙ্খলে বাঁধবার জন্য তিনটি আইন সংসদে গায়ের জোরে পাস করায়। বিগত কয়েক মাস যাবৎ কৃষকরা এই মৃত্যু পরোয়ানার আইনের প্রতিবাদ আন্দোলন স্থানীয় স্তরে সংগঠিত করেন l কিন্তু সরকার বৃহৎ পুঁজির দাসত্বের জন্য সেই দিকে কর্ণপাত করেনি । তাই কৃষক সংগঠন গুলি বাধ্য হয়েই দেশের রাজধানী দিল্লিতে আন্দোলন করার নির্ণয় নেন ।
কৃষকদের দিল্লি চলো অভিযানকে আটকাতে এই বিজেপি আরএসএস সরকার কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, কাঁটাতার ও রাস্তা অবরুদ্ধ করার জন্য বোল্ডার ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করেন l কিন্তু কৃষকদের আন্দোল সবকিছুকেই ভেঙে দিল্লি পৌঁছয় l অনেকের মতে স্বাধীন ভারতে কৃষকদের এইরকম মেজাজ কবে দেখেছেন মনে করতে পারছেন না । দেশ এখন ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষীর অপেক্ষায় আছে l এই আন্দোলনকে কুর্নিশ জানায় বাংলার বামপন্থী আন্দোলনের কর্মী সমর্থকেরা । আজ সিপিআই(এম) মধ্য যাদবপুর এরিয়া কমিটির পক্ষ থেকে একটি মশাল মিছিল সংগঠিত হয়। মিছিল চিত্তরঞ্জন থেকে গড়িয়া পর্যন্ত পরিক্রমা করে । বহু সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থেকে কৃষক আন্দোলনকে সংহতি জানান ।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।