দেশ

আবার নারী নির্যাতনে উত্তরপ্রদেশের নাম! হাথরাসের পর বলরামপুর


সূপর্ণা রায়: চিন্তন নিউজ:১লা অক্টোবর:- অমানবিকতার আরও এক নিদর্শন ঘটে গেল উত্তর প্রদেশের বললামপুরে। এক ২২ বছরের দলিত মহিলা ছায়াকে বন্ধুত্বের আছিলায় ডেকে নিয়ে যায় দুই যুবক। হাতরাস এর গনধর্ষণ কান্ডের পর এই ঘটনা যোগী সরকারের শাসনব্যবস্থা র উপর এক চরম প্রশ্ন চিহ্ন এঁকে দিল। বলরামপুরের মেয়ে বেসরকারি সংস্থাতে কর্মরতা ছিলেন বলে জানা যায় পরিবার সুত্রে। মঙ্গলবার রাতে অনেক রাত অবধি তিনি বাড়ীতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন বারবার ফোন করতে থাকেন। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।এরপর অনেক রাতে ২২ বছরের ওই তরুণী একটি রিক্সা করে বাড়ীতে ফেরেন তখন তার হাতে গ্লুকোজ ড্রিপস লাগানো ছিল।। ধর্ষনকারীরা মেয়েটিকে অসম্মান করার পর হসপিটালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে ঐ ২২ বছরের তরুণীকে বাড়ী পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এক উচ্চ পদস্থ পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত দুজন কেই চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুজন স্বীকার করেছে বন্ধুত্বের আছিলায় তারা মেয়েটিকে ঠেকে নিয়ে যায়। কিছু পরে অবস্থার অবনতি হলে হসপিটালেও নিয়ে যায় এবং পরে তাকে একটি রিক্সা করে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মেয়েটির এ অবস্থা দেখে বাড়ীর লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান কিন্তু পথেই মেয়েটির মৃত্যু হয়। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে বিভিন্ন মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে মেয়েটি র হাত পা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে কিন্তু পোষ্টমর্টেম রিপোর্টে এমন কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি।।

ঘটনার কথা সামনে আসতেই যোগী প্রশাসনকে এক হাত নিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা ও উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। হাথরসের ঘটনা নিয়েও বিরোধীরা তোপের মুখে পড়েন উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। একটাই কথা, উত্তরপ্রদেশে নারী নিরাপত্তা কোথায়? আর কত মেয়ের প্রাণ গেলে ধর্ষকদের যথোপযুক্ত শাস্তি দিতে পারবে যোগী সরকার!


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।