দেশ

এই সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার


গৌতম প্রামাণিক-নিজস্ব প্রতিবেদন:চিন্তন নিউজ:১৫ সেপ্টেম্বর:- একজনের হাতে বন্দুক, পিছনে পুলিশ। যেন মস্তানটা পুলিশের নেতৃত্ব দিচ্ছে! এ ঘটনা দিল্লিতে দাঙ্গার সময়ে হিন্দুত্ববাদী স্লোগান দিতে দিতে প্রতিবাদী সংখ্যালঘু সমাজের প্রতি এই কাপুষোচিত হামলার দৃশ্য। অগণতান্ত্রিক ক্যা/এনআরসি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদীদের ওপর এই দিল্লির পুলিশ ও আরএসএস এর যৌথ আক্রমণ।

নিচে হাত মুঠো করে দেশের বিজেপি সরকারের একের পর এক জনস্বার্থ বিরোধী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শপথের ছবি, নাম- উমর খালিদ। জে এন ইউ-র প্রাক্তনী, মেধা ছাত্র উমর খালিদ। তাকে গত পরশু গভীর রাতে দিল্লিতে লোধী কলোনি থেকে ইউ পি এ-র সন্ত্রাসবাদী দমন আইনে গ্ৰেপ্তার করে।

ঠিক দেখুন ১২ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ সি পি আই (এম)- র সাধারণ সম্পাদক কমরেড সীতারাম ইয়েচুরি সহ বেশ কয়েকজন সমাজের বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে দিল্লিতে দাঙ্গায় উস্কানি দিয়েছেন বলে অভিযোগ করে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে নিকৃষ্টতম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিচয় দিয়ে আদালতে চার্জশিট পেশ করে।

কি আশ্চর্য্য দেখুন যাঁরা সর্বজন গৃহীত, যাঁরা দাঙ্গা বিরোধী, যাঁরা দেশের সংবিধান রক্ষার পক্ষে, সরকারি সম্পদের বেসরকারিকরণের বিরুদ্ধে, যারা শিক্ষা বিরোধী কেন্দ্রীয় শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে ঠিক তাঁদেরি গ্ৰেপ্তারীর নির্দেশ।

আজ যাঁরা মনে করছেন বিজেপিকে এনে একবার দেখা যাক! তাদের বলি খারাপ দেখছেন, কিন্তু, সর্বনাশ কি সেটা যেন দেখতে না হয়!

প্রতিক্রিয়াশীল সরকারের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত লড়াই করে জয়ী হওয়া সম্ভব, কিন্তু, ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই কঠিন। কারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রথম লক্ষ‍্য হলো সামাজিক বিভাজন( যেমন আমেরিকাতে বর্ণ বিভাজন, আমাদের সাম্প্রদায়িক বিভাজন, জাতের বিভাজন)-র রাজনীতির মধ্যে দিয়ে সমাজকে দূর্বল করে একের পর এক দেশ বিরোধী সিদ্ধান্ত নেবে! স্বনির্ভরতার মেরুদন্ডকে ইতিমধ্যেই দুমড়েমুচড়ে শেষ করে দিচ্ছে। ভাবতে হবে সকলকে কেনো সারা দেশে এতো কম শতাংশ ভোট পেয়েও বামপন্থীদের লক্ষ করে পরিকল্পিত আক্রমণ!! উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র গুলোতে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের ওপরে বহিরাগতদের নোংরা আক্রমণ! কেনো সমাজের বিশিষ্টজনদের ওপরে বিভিন্ন ভাবে আক্রমণ!


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।