দেশ

শ্রীনগর জঙ্গী মুক্ত!


কাকলি চ্যাটার্জি:চিন্তন নিউজ:২৭শে জুলাই:- গত শনিবার কাশ্মীরের রণবীরগড়-পাঞ্জিনারা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে বন্দুকের গুলিতে নিহত হন দুই সন্ত্রাসবাদী। একজন লস্কর ই তৈবার(এলইটি) কম্যান্ডার, শ্রীনগরের সোজেথ অঞ্চলে থাকতেন। নাম ইশকাফ রশিদ খান। শ্রীনগরের কাছে রণবীরগড় এলাকায় সিকিউরিটি কর্মীদের হাতে নিহত হন।

শ্রীনগরের পুলিশ ইন্সপেক্টর বিজয় কুমার গতকাল জানান, শনিবার এক এনকাউন্টারে লস্কর ই তৈবার কম্যান্ডার ইশকাফ রশিদ খান নিহত হওয়ার পরে শ্রীনগরের বাসিন্দারা জঙ্গীমুক্ত হলেন। অপর জঙ্গী আইজাজ ভাট কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার বাসিন্দা। কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইটারে জানিয়েছেন, “এলইটি সন্ত্রাসবাদী ইশকাফ রশিদ খান হত্যার পর শ্রীনগর জেলায় আর কোনো সন্ত্রাসবাদী রইলো না।”

জুলাই মাসের প্রথমদিকে শ্রীনগরের পুলিশ ইন্সপেক্টর বলেছিলেন যে অন্যান্য জেলা থেকে জঙ্গীরা শ্রীনগরে প্রবেশ করে এবং এজন্যই শ্রীনগর কখনও জঙ্গীমুক্ত হতে পারে না। শ্রীনগরে জঙ্গীরা তাদের আস্তানা গাড়ে, পরবর্তী সময়ে সংঘর্ষে নিহত হয়। “শ্রীনগর এমন একটি শহর যেখানে জঙ্গীরা প্রায়ই আসে। কখনও চিকিৎসা, কখনও তাদের ফান্ড কালেকশন বা মীটিংয়ের জন্য আসে। এজন্য শ্রীনগর জঙ্গীমুক্ত হওয়া খুব কঠিন।” গত ৩ জুলাই শ্রীনগর শহরের কাছে এক এনকাউন্টার শেষে পুলিশ ইন্সপেক্টর একথা জানান। তিনি আরও বলেন, “জঙ্গীরা এখানে আসতে থাকবে, খবরাখবর পাওয়ার পর আমরা এনকাউন্টার চালিয়ে যাব।” এখনো পর্যন্ত এনকাউন্টারে ১০ জন জঙ্গী নিহত হয়েছে।

শনিবার নিহত দুই জঙ্গী জেকেপি, ২৯ টি আরআর ও সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান চালায়। একটি কর্ডন করার পরে আটকে পড়ে ও পাল্টা আক্রমণ করে। পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন যে তাদের আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে, পাল্টা লড়াই শুরু হয়। পরবর্তীতে দু’জন জঙ্গী নিহত হয়। তাদের মৃতদেহগুলো থেকে ডিএনএ সংগ্ৰহ করে আইনি প্রক্রিয়ার পর গান্ডেরবালে পাঠানো হয়।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।