দেশ

বিতর্কিত তিন কৃষি বিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ক্রমশ বিস্তার লাভ করছে দেশের সর্বত্র।


পাপিয়া মজুমদার,দিল্লী: চিন্তন নিউজ:২৯শে সেপ্টেম্বর:–এই বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরোধিতা সমেত একাধিক দাবি নিয়ে গতকাল কর্ণাটক বন্ধের ডাক দেয় বিভিন্ন কৃষক সংগঠন ও ট্রেড ইউনিয়ন। এই বন্ধের ফলে রাজ্যের স্থানে স্থানে জড়ো হয়ে কৃষকেরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। কর্ণাটক পুলিশ ৩০০(তিনশো) জনের বেশি বন্ধে সামিল বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে। সরকার পক্ষ এই বন্ধের বিরোধিতা করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করেছেন। বেঙ্গালুরু পুলিশ আধিকারিক জানিয়ে দিয়েছেন, যারা বন্ধে অংশ নিয়ে জনজীবন ব্যহত করার চেষ্টা করবে,তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের পক্ষে দোকান পাট, অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া সত্ত্বেও বহু জায়গায় তা বন্ধ ছিল। কেএসআরটিসি বাস,ট্যাক্সি,অটো রিক্সা চলাচল অন্যান্য দিনের তুলনায় কম হলেও প্রাইভেট বাস চলাচল ছিলো।

নয়াদিল্লীর ইন্ডিয়া গেটের সামনেই সকাল সোয়া সাতটা নাগাদ একটি ট্রাক্টারে আগুন ধরিয়ে দিয়ে কৃষকেরা এই বিতর্কিত কৃষি বিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনা স্থানে পুলিশ দ্রুত পৌঁছে আগুন নিভিয়ে ফেলে। পুলিশ সূত্রানুযায়ী ১৫-২০ জন এই বিক্ষোভে সামিল হোন। পুলিশ তাদের চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করেছেন।

গতকাল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এই তিন বিতর্কিত কৃষি বিলে সই করার পর কৃষক বিক্ষোভ তীব্র গতিতে বাড়তে শুরু করেছে দিকে দিকে। নুতন এই তিন বিল কৃষি বিরোধী বলে দাবী করছেন কৃষকেরা। যার ফলে ক্ষোভ তীব্রতর হচ্ছে ক্রমশ।

গত সপ্তাহে প্রবল বিরোধিতার মুখে পড়ে ও জোর পূর্বক পাশ করিয়ে নেওয়া হয় এই কৃষি বিল। বিরোধীরা এই বিলকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি করে। এই নিয়ে প্রচন্ড গন্ডগোল শুরু হলে গন্ডগোলের জেরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভা থেকে ইস্তফা দেন আকালী দলের মন্ত্রী হরসিমরত কাউর।

নয়া তিন কৃষি বিলের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ চলছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার সর্বত্র।

গত ২৫শে(পঁচিশে)সেপ্টেম্বর এই বিলের বিরোধিতায় পুরো দেশ জুড়ে বিক্ষোভে ও প্রতিবাদে ফেটে পড়ে দেশের প্রত্যেক বিরোধী দল। বিরোধীদের সুরে তাল মিলিয়েছেন হরিয়ানার দুই বিজিপি নেতা পরমিন্দর সিং ও রামপাল মাজরা। তারাও দাবী করেন এই বিল কৃষক বিরোধী বলে।।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।