জেলা

কলকাতার কড়চা-


চিন্তন নিউজ-২৬শে সেপ্টেম্বর-গৌতম প্রামাণিক- আজ বাঙালির ঈশ্বরের শুভ জন্মদিন ছিল! বাংলার নবজাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আজ ২০১তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন হলো। মূলত সাক্ষরতা আন্দোলন, মাতৃভাষা আন্দোলন, প্রগতিশীল সমাজ সচেতনতা আন্দোলন, সম্প্রীতির আন্দোলন, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনের বিভিন্ন সংগঠন গুলো যথাযতো মর্যাদায় আজ আমাদের ইশ্বরকে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
“বঙ্গীয় সাক্ষরতা প্রসার সমিতি”, “সত্যেন মৈত্র জনশিক্ষা সমিতি”, “ইন্ডিয়ান পাওলো ফ্রেইরি ইনস্টিটিউট”, “বাংলা ভাষা মঞ্চ”, “কলকাতা নাগরিক সম্মেলন” সহ বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থা অত্যন্ত সমারহে আজকের এই পবিত্র দিনটাকে পালন করে। বিশেষ করে বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের (রাজ্যের ও কেন্দ্রর সরকার) পক্ষ থেকে এই বিরাট মহান ব্যাক্তিত্বকে কিছুদিন আগে ভগবানের আসনে বসিয়ে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ আচরণ করা হয়েছিল। তার মুর্তিকে ধ্বংস করে দুই সরকার পরিচালিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে যে বিতর্ক বিবাদ যে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল তা বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসকে কালিমালিপ্ত হতে হয়েছিল, যা বাংলার সংস্কৃতিতে একটা চরমতম আঘাত!!

সবচাইতে বড়ো বিষয় “বিদ্যাসাগর” যে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলার মেরুদন্ডকে সোজা করে চিরদিনের মতো দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন! শুধুমাত্র “বিধবা বিবাহ” প্রচলনের প্রতিষ্ঠার লড়াই নয়, “নারী শিক্ষা”, “নিরক্ষরতা দূরীকরণ”, “কুসংস্কার মুক্ত সমাজ গঠন” এবং সার্বিক শিক্ষার মধ্য দিয়ে সামাজিক উন্নয়ন!! আর আজ? সমগ্ৰ দেশ জুড়ে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, বিচ্ছিন্নতাবাদী আক্রমণ, সার্বিক শিক্ষা ব্যাবস্থায় বেসরকারিকরণের প্রবেশ শিশু শিক্ষা ব্যাবস্থায় বৈঞ্জানীক ভাবনার অবলুপ্তি ঘটিয়ে ভাব বাদের প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের ও রাজ্যের সরকারি মানসিকতা “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের” প্রতি চরমতম অবমাননা। এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম সংগঠিত করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সেটাই হবে “বিদ্যাসাগরের” প্রতি যথাযথ সন্মান প্রদর্শন। আজ ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০১ তম জন্মদিনের সকালে সুরেন্দ্র নাথ পার্কে যথাযথ মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় সুমহান ব্যক্তিত্বকে।

সংবাদদাতা—-দেবী দাস:- আই সি ডি এস বেহালা প্রকল্পের থেকে আজ কম:শ্যামল চক্রবর্তী স্মরণে ছোটো ছোটো শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী খাতা,পেন, পেন্সিল বক্স, রং পেন্সিল রাবার , বিস্কুট ও বেলুন দেওয়া হলো।
উপস্থিত ছিলেন সি আই টি ইউ দেবাজন চক্রবর্তী।আই সি ডি এস মিতা ঘোষ মহিলা সমিতি কনিনিকা বোস ঘোষ।

৯৮নং ওয়ার্ড বিজ্ঞান সভার পক্ষ থেকে রিক্সাচালক বন্ধুদের মাক্স দেওয়া হলো।

সংবাদদাতা—–সাথী ভট্টাচার্য:-কেন্দ্রের চরম ফ্যাসিস্ট বিজেপি সরকারের কৃষক ও শ্রমিক বিরোধী বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে কাশীপুর-টালা-চিৎপুর অঞ্চলের ৬ নং ওয়ার্ডে সিটু, এসএফআই, ডিওয়াইএফআই, এইডওয়া, পশ্চিমবঙ্গ বস্তি উন্নয়ন সমিতির পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। কৃষি বিল ও শ্রমিক বিলের প্রতিলিপি পোড়ানো হয় সভা শেষে।

সংবাদদাতা-কাকলি চ্যাটার্জী:- কেন্দ্রের স্বৈরাচারী, দুর্নীতিপরায়ণ, কর্পোরেটবান্ধব বিজেপি সরকারের কৃষক সমাজকে ভাতে মারার চক্রান্ত করে সম্পূর্ণভাবে অগণতান্ত্রিক উপায়ে সংসদে যে কৃষি বিল পাশ করানো হয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সিপিআই(এম) বেহালা ৩ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে ১১৫ নং ওয়ার্ডে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান বক্তা ছিলেন কনীনিকা ঘোষ। অগণতান্ত্রিক কৃষি বিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন এলাকার মানুষ, জ্বালিয়ে দেওয়া হয় ঐ কৃষক বিরোধী বিলের প্রতিলিপি।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।