রাজ্য

ডব্লু বি সি এস এ ফেল করেও চাকরি – প্রশ্নের মুখে পি এস সি।


কল্পনা গুপ্ত: চিন্তন নিউজ:২২ শে অক্টোবর:— হাইকোর্টে একটি দুর্নীতির বিষয়ে দ্রুত নিষ্পত্তি চেয়ে আবেদন জমা পড়লো। বিষয়টি কি? বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জার। ডব্লুবিসিএসের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রিলিমিনারিতে ফেল করেও এক প্রার্থী মেইনসএ প্রথম হন ও এই রাজ্যের এক জেলায় প্রশাসনিক উঁচু পদে চাকরি পেয়ে গেছেন।

প্রথমত, ২০১৪ সালে মেইনসে প্রথম ঘোষিত ওই প্রার্থী ইংরেজি তে ০ থেকে ১৬২ ও বাংলায় ১৮ থেকে ১৬৮ হওয়ার অভিযোগ ছিলো। এই নম্বর কেলেংকারির তদন্তের দাবিতে আইনজীবী গৌরব বসু কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। এই সূত্রে মঙ্গলবার হাইকোর্টে একটি হলফনামা প্রকাশ করে জানান – ২০২০ সালের ১৪ ই ফেব্রুয়ারি এই প্রার্থী যার রোল নম্বর ছিলো ১৭০০৩৫৩ রাজ্য পাবলক সার্ভিস কমিশনে একটি আর টি আই দাখিল করে ২০১৭ র ডব্লুবিসিএস পরীক্ষায় বিভিন্ন বিষয়ের নম্বর জানতে চাওয়ার উত্তরে স্টেট পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার ও ডেপুটি সেক্রেটারি জানিয়েছিলেন যে, তিনি ২০১৭ প্রিলিমিনারিতে ৬.৮৬৫ % পেয়েছেন। সে বছর প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত সফল প্রার্থীদের তালিকায় তার নামই ছিলো না। ঠিক এর পরেই একটি সংশোধনীর মাধ্যনে পিএসসি ১৭০০৩৫৩ রোল নম্বরের প্রার্থীকে সফল প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে। কিন্তু এর সপক্ষে কোন নির্ভরযোগ্য নথি কমিশনের দপ্তরে নেই।

গৌরব বসুর কথায়, ওই প্রার্থী নিয়োগের ক্ষেত্রে মারাত্মক অসংগতি ও দুর্নীতি রয়েছে। উচ্চ আদালতের কাছে তার প্রার্থীপদ বাতিল করার ও আইনানুগ ব্যবস্থার আবেদন জানিয়েছেন। এই ধরণের দুর্নীতি বন্ধ না হ’লে রাজ্যের চাকুরী প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও অনাস্থা কাজ করবে। এক্ষেত্রে অবশ্যই উল্লেখ্য যে,২৯১৮ সালের নিয়মানুযায়ী প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ও র‍্যাঙ্ক ওয়েবসাইটে জানানোর ক্ষেত্রেও কমিশন গড়িমসি করতো।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।