জেলা

জলপাইগুড়ি জেলা নিউজ


সঞ্জিত দে: চিন্তন নিউজ:৬ই সেপ্টেম্বর,২০২০:- কেন্দ্রের বি জে পি সরকার যে কৃষিনীতি নিয়েছে তাতে জমির ব্যবহার ও চাষের কাজে কর্পোরেট দুনিয়াকে অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছে।এই কৃষি নীতি ও চুক্তি ভিত্তিক চাষের বন্দোবস্ত করার বিরুদ্ধে রবিবার সকালে বৃষ্টি উপেক্ষা করে গাদং ১ অঞ্চলে মিছিল হলো।

মিছিলের শুরুতে বক্তব্যরাখেন সংগঠনের জেলা সভাপতি প্রানগোপাল ভাওয়াল, মুকুলেশ রায়সরকার, মমতা রায়, জয়ন্ত মজুমদার। গ্রামের ক্লাব মোড়ে মিছিল শুরু করে বিভিন্ন পথ ঘুরে বেসিক প্রাইমারি স্কুলে শেষ হয়। প্রানগোপাল ভাওয়াল বলেন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জেলার সব থানা এলাকায় প্রতিবাদ মিছিল সভা হবে কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে। এদিন মিছিলের সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন এই গ্রামের আত্মঘাতী কৃষক গঙ্গাধর রায়ের দাদা চিন্তা মোহন রায়। এই দরিদ্র কৃষক নেতা ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি চিন্তামোহন রায় কে কিনতে এসেই টিম পি কে তাড়া খেয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

অপরদিকে গত ২ সেপ্টেম্বর ধূপগুড়ি ব্লকের বানারহাট থানার নিউ ডুয়ার্স চা- বাগানের স্থায়ী মহিলা চা শ্রমিককে ধর্ষন করে খুন করে চা বাগানের নালার জল কাদায় গেঁথে ফেলে রাখা হয়। পুলিশ একজন সন্দেহভাজনকে আটক করলেও ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়নি বলে অভিযোগ করলেন মৃতার ভাই বোনেরা। রবিবার ডি ওয়াইএফআইয়ের এক প্রতিনিধি দল নিউ ডুয়ার্স চা- বাগানের শ্রেণীর মহল্লাতে গিয়ে এই পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পারে ঘটনার পাঁচদিন পার হয়ে গেলেও পুলিশ এই পরিবারের কারো সাথে এখনো কথা বলে খোঁজ খবর নেয় নি। মৃতা শ্রমিকের বাড়িতে এক ভাই চার বোন রয়েছে। উল্লেখ্য মৃতার জামাই বাবু হন বানারহাটের দাপুটে তৃনমুল নেতা বিধান সরকার।এই নেতার এই ঘটনা নিয়ে নীরব থাকা চা শ্রমিকদের মধ্যে প্রশ্ন তুলছে।

ডি ওয়াই এফআইয়ের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্য কমিটির সদস্য অজয় মাহালি জেলা সভাপতি নূর আলম লোকাল কমিটির সম্পাদক অর্ধেন্দু রাহা সহ আরও কয়েকজন। যুব নেতৃত্ব বাগান থেকে ফিরে বানারহাট থানায় এসে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের সাথে কথা বলে দাবি জানান দ্রুত ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বের করা না হলে জেলা জুড়ে আন্দোলন করা হবে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।