দেশ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

করোনা সংক্রমণের আবহে চোখ নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন একান্ত জরুরি


সূপর্ণা রায়: চিন্তন নিউজ:২৯শে আগস্ট:- যখন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আক্রমন ভারতবর্ষকে কাবু করে ফেললো তখন করোনার অন্যতম উপসর্গ গুলো ছিল জ্বর, সর্দি কাশি ইত্যাদি। তারপর দিন যত এগোতে লাগলো করোনাও তার চরিত্র বদলাতে থাকলো।এল মুখের অরুচি, গায়ে চামরায় লাল লাল দাগ, তারপর চোখ সামান্য লাল হলেও তা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে হচ্ছে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।। এবছর বর্ষার আগমন দেরীতে হচ্ছে। আর্দ্র আবহাওয়ায় এমনিতেই চোখের চেনা রোগ কনজাংটিভাইটিস রোগের প্রকোপ কমবেশি হচ্ছে। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার বিবেক দত্ত জানিয়েছেন যে জীবাণুরা অতি সক্রিয় থাকে কারণ আবহাওয়া একবার গরম আবার একবার ঠান্ডা হয় আর এর প্রভাবে চোখে কনজাংটিভাইটিস এর সংক্রমন বাসা বাঁধে।।

সুত্রের খবর অনুযায়ী ভারতবর্ষের প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ চোখের রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। ১৯৬৯ সালে এই ” জয়বাংলা”” ঘানায় মহামারী আকারে প্রকাশ পেয়েছিল। তবে এবার করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে স্কুল,কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটির কারণে জয়বাংলা তেমন প্রভাব ফেলতে পারে নি।।বড়োদের চেয়ে ছোট বাচ্চাদের এই জয়বাংলা বেশি আক্রমণ করে।। ডাঃ বিবেক জানিয়েছেন যে জয়বাংলা হলে তার প্রধান উপসর্গ চোখ ফুলে লাল হয়ে যায় ,ব্যাথা হয়, তাকাতে অসুবিধা হয়।। অনেক সময় চোখ মারাত্মক কড়কড় করে এবং অবিরাম জল পড়তে থাকে।এই সময় চোখ হাত দিয়ে কচলানো একেবারেই করা চলবে না, দিনে তিন চার বার চোখ ঠান্ডা জলে ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। কন্ট্যাক্ট লেন্স একেবারেই পড়া চলবে না।। রোদের হাত থেকে বাঁচতে রোদচশমা ব্যবহার করলে আরাম পাওয়া যায়। মোটামুটি দিন সাতেকের মধ্যে জয়বাংলা ঠিক হয়ে যায়।
চোখের সমস্যায় অবহেলা না করে ডাক্তার দেখানো খুব দরকার। কর্ণিয়াল আলসার হয়ে গেলে তা মারাত্মক আকার নিতে পারে, এমনকি দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।