দেশ বিদেশ

বোম্বার্ডিয়ার, জিএমআর ইনফ্রাসহ ১৬ টি বেসরকারী সংস্থা ট্রেন চালাতে আগ্ৰহ প্রকাশ করল:


কাকলি চ্যাটার্জি:চিন্তন নিউজ:২২শে জুলাই:-
বোম্বার্ডিয়ার, জিএমআর ইনফ্রাসহ ১৬ টি বেসরকারী সংস্থা ট্রেন চালানোর ক্ষেত্রে আগ্ৰহ প্রকাশ করল। প্রসঙ্গত রেলমন্ত্রক আগেই ১০০ টিরও বেশী রুটে ১৫১ টি আধুনিক প্রযুক্তির সর্বাধুনিক সুবিধাযুক্ত যাত্রী ট্রেন চালানোর অনুমতি দিয়েছে। মঙ্গলবার ভারতীয় রেলমন্ত্রক আয়োজিত ভার্চুয়াল প্রাক-অ্যাপ্লিকেশন সম্মেলনে সংস্থাগুলো তাদের সুবিধার্থে কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করে। পরিচালন কাঠামো, যোগ্যতার শর্ত, রেক সংগ্ৰহ ও রুট ক্লাস্টারগুলোর সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে চায়। সম্মেলনে ১৬ টি সংস্থা অংশগ্রহণ করে। বোম্বার্ডিয়ার, স্টারলাইট পাওয়ার ও জিএমআর কিছু সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন উত্থাপন করে বলে বলে একজন সিনিয়র অফিসার জানান। সম্ভাব্য এই আবেদনকারীদের কাছ থেকে পাওয়া প্রশ্নগুলোর উত্তর রেলমন্ত্রক ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে লিখিতভাবে তাদের জানাবে। দ্বিতীয় ভার্চুয়াল সম্মেলনটি হবে আগামী ১২ আগস্ট। তালিকাভুক্ত আবেদনকারীদের প্রকল্পে অংশগ্রহণ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট দরপত্র দিতে হবে। রেলদপ্তর জানিয়েছে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আগে যে রুটগুলোর দরপত্র নেওয়া হচ্ছে সেগুলোর বিস্তারিত তথ্য তারা সরবরাহ করবে। যে রুটে চাহিদা বেশী সেরকম ১০০টি রুট নির্বাচন করে এই সর্বাধুনিক ১৫১ টি ট্রেন চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে। ট্রেনগুলো দিল্লি, মুম্বাই, পাটনা, জয়পুর, বেঙ্গালুরু, চন্ডীগড়, প্রয়াগরাজ, চেন্নাই, সেকেন্দ্রাবাদ, হাওড়া সহ ১২ টি ক্লাস্টারে চালানো হবে। ২০২৩ এপ্রিল মাসের মধ্যে বেশকিছু রুটের ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যাবে। বেসরকারী সংস্থাগুলো এই প্রকল্পের জন্য ৩০০০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে। উন্নত কোচ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, রেলপথের পরিকাঠামোর উন্নতি হবে এবং এর ফলে যাত্রীস্বাচ্ছন্দ‍্য বৃদ্ধি পাবে, ভ্রমণের সময় ও কমবে ও রেলের আয় বৃদ্ধি পাবে।

একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে রেলমন্ত্রক স্পষ্টভাবে জানিয়েছে বেসরকারী সংস্থার পাশাপাশি পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত জাতীয় সংস্থাগুলোও একইরকমভাবে অংশগ্রহণ করার ঝুঁকি নিতে পারে। প্রকল্পের আওতায় থাকা ট্রেনগুলো বেসরকারী সংস্থাগুলো কিনে নিয়ে অথবা লিজ নিয়ে চালাতে পারে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে রেলের ট্র্যাকগুলো ব্যবহারের জন্য চার্জ, বিদ্যুতের চার্জ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ছাড়ের ব্যাপারে এবং দেয় ট্যাক্সের পরিমাণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্পের ছাড়ের সময়সীমা হবে ৩৫ বছর, বেসরকারী সংস্থাগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ ট্যাক্স দিতে হবে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।