দেশ

বাধা দিলে বাধবে লড়াই- সংযুক্ত কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে চরম ইঙ্গিত।


কল্পনা গুপ্ত: চিন্তন নিউজ: ৫ই জানুয়ারি,২০২১:– – সরকারের সাথে শেষ আলোচনা সভায় কৃষকদের মাত্র দুটো ছোট দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, যদিও তা লিখিতভাবে নয়। কিন্তু আন্দোলনের প্রধান দাবি – তিনটি কৃষি আইনই বাতিল করতে হবে, তা মানা হয়নি। তাই সংযুক্ত কিষান মোর্চার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে- ” কোন বিকল্প প্রস্তাবেই কৃষকেরা রাজি নন, যদি ২৬ শে জানুয়ারির মধ্যে তাদের দাবিসমূহ সরকার না মেনে নেন, তবে দিল্লী অভিমুখে শান্তিপূর্ণ উপায়ে যাত্রা করা ছাড়া অন্য কিছু সম্ভব নয়।” কৃষক আন্দোলন যে চরম পর্যায়ে উন্নিত হয়েছে সেখানে কোনভাবেই আপোষের কথা থাকছে না। তাই আন্দোলনের দুটি ফলাফল হতে পারে – তিনটি কৃষি আইন বাতিল করা অথবা আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে বলপ্রয়োগ করতে হবে সরকারকে।

কৃষক আন্দোলনের পক্ষ থেকে সরকারের উদ্দেশ্যে চরমপত্র ঘোষণা করা হলো – দাবি মানা না হলে ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২১ সাধারণতন্ত্র দিবসে কৃষকেরা একযোগে দিল্লীতে প্রবেশ করবেন। স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়েছে যে ২৬ শে জানুয়ারি সরকারি কর্মসূচির কুচকাওয়াজের পর ” কৃষকদের সাধারণতান্ত্রিক কুচকাওয়াজ ” অনুষ্ঠিত হবে। কৃষকদের নিজেদের ট্রাকটর, ট্রলি এবং অন্যান্য যানবাহনের সাহায্যে কৃষকেরা দিল্লীর ভেতরে প্রবেশ করবেন। প্রেস বিবৃতি প্রকাশের সময় উপস্থিত ছিলেন বনবীর সিং রাজেওয়ালে, গুরনাম সিং চাধুনি, অশোক ধাওয়ালে, জগজিৎ সিং দাল্লেওয়াল, অভিমন্যু কোহাদ,যোগেন্দ্র যাদব।

আগামী ৬ ই জানুয়ারি থেকে ২০ শে জানুয়ারি অবধি সারা দেশজুড়ে র‍্যালি, সম্মেলন, ধর্নার আয়োজন করা হবে। লহরি বা সংক্রান্তির দিনটিকে কিষান সংকল্প দিবস হিসাবে পালন করা হবে। ১৮ ই জানুয়ারি মহিলা কিষান দিবস হিসাবে উদযাপিত হবে। ২৩ শে জানুয়ারি নেতাজি সুভাষ বসুর জন্মদিবসকে আজাদ হিন্দ কিষান দিবস হিসাবে পালন করা হবে। আগামী ৪ তারিখে সরকারের সাথে আলোচনা ব্যর্থ হলে ৬ ই জানুয়ারি কৃষকেরা কে এম পি এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করবেন ও একই সাথে শাজাহানপুরে আটকে রাখা কৃষকদের জমায়েত দিল্লীর দিকে যাত্রা শুরু করবে।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।