রাজ্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য

কাজের দিনে ক্লাস বন্ধ রেখে ‘গেট টুগেদার’!!ফতোয়া রাজ্যের কলেজ- বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি।


সূপর্ণা রায়: চিন্তন নিউজ:৫ই নভেম্বর :–রাজ্য সরকার এর ফতোয়া ক্লাস শিকেয় তুলে শুনতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষন_…………… চেয়েছেন রাজ্যের প্রসাশনিক প্রধান একটি ” গেট টুগেদার”। মুখ্যমন্ত্রী আশা সেই আশা বাস্তবায়িত করতেই হবে আর তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থেকে অধ্যাপক সবাই কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে।।

দীর্ঘ ছুটির পর সবেমাত্র মঙ্গলবার ক্লাস শুরু হওয়ার কথা কিন্তু হবে না কারণ ছুটি প্রিয় মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক , শিক্ষকদের সামনে কিছু ভাষন দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং এই গেট টুগেদারের কথা জানিয়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে চিঠি পাঠানো হয়েছেওয়েবকুটার মতো অধ্যাপক সংগঠনকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।। উচ্চ শিক্ষা দফতর থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তাই তারা যাবেন যেহেতু এটা সরকারি আমন্ত্রণ।। এই প্রোগ্রামের জন্য ইন্ডোর স্টেডিয়ামকে মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছে অনুযায়ী সাজানোর জন্য টেন্ডার ডেকেছে রাজ্যের পুর্ত দফতর।।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে কেন এই “গেট টুগেদার”? তৃনমুল কংগ্রেস গত আট বছরে অনেক চেষ্টা করেও তেমন কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি তারা ।আলাদা সংগঠন করার চেষ্টা করেও তেমন সাফল্য পায়নি।। একটি সংগঠন ও খাঁড়া করেও কিছু লাভের লাভ হয়নিকাজের কাজ কিছুই করতে পারে নি।।এর মধ্যে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে তৃনমুল কংগ্রেসের অপশাসন এবং বিজেপির সাম্প্রদায়িক নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছে ছাত্র, শিক্ষক, অধ্যাপকগন আর তাদের প্রতিরোধ স্পষ্ট হয়েছে। এত অসন্তোষ যেখানে সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শিক্ষক, অধ্যাপকদের খুশী করার একটি আপ্রাণ চেষ্টা করবেন।মনে করছেন অনেকেই।

অনেকেই জানিয়েছেন যে তাদের বেতন কাঠামো অনেক দিন পুনর্বিন্যাস করা হয়নি।। অনেকবার শিক্ষা মন্ত্রীকে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি । শিক্ষা মন্ত্রী আলোচনা করেছেন এবং জানিয়েছেন অর্থ দপ্তর টাকা বরাদ্দ করেছেন না।।এর আগে ২০১৭ সালে এমনই একটি বিশেষ সভা করেছিলেন।। সেবার তিনি অধ্যাপকদের অবসরের বয়স ৬০ থেকে ৬২ করা হয়েছিল।। স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে তিনি বলেন “”””” একটা বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলে বিশ্ববঙ্গ বিশ্ব বিদ্যালয় করবেন। শান্তিনিকেতনেই হবে””””কিন্তূ তা হয়নি।। সেই সভায় শিক্ষক, অধ্যাপক দের জন্য “”হেলথ স্কিম””” ঘোষণা করেছিলেনসেটিও অথৈ জলে।। সেই সভা তে রাজ্যকে “””উচ্চ শিক্ষার হাব””” হিসেবে তুলে ধরার কথা বলা হয়েছিল___সেই হাব আজও দেখা যায়নি।।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেনেছেন শিক্ষক, অধ্যাপকদের একাংশ যারা “”তৃণমূল এর ঘরের ছেলে””” বলে পরিচিত তাদের অনেকেই বিজেপির দোড়গোড়াতে লাইন দিয়েছেন।। অনেকেই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি কে নিয়ে কিছু ভাষন দিতে পারেন বলে ধারণা।। রাজ্যের রাজ্যপাল কিছু কিছু শিক্ষক, অধ্যাপক দের মাঝে মধ্যে ডেকে পাঠিয়ে কথা বলেছেন তাই মুখ্যমন্ত্রী কেও কিছু বার্তা দিতে হয়।।।। রাজনীতির খেলায় কলেজের ক্লাস লাটে তুলে মুখ্যমন্ত্রীর এই তড়িঘড়ি তলব।।।।।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।