দেশ বিদেশ

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে আগামী ৩০বছরে আর্কটিক সাগর হবে বরফহীন ::—-


রত্না দাস: চিন্তন নিউজ:৩০শে জুন:- আর্কটিক সাগরের বরফ গলে যাচ্ছে এই খবর সকলের কাছে কোন নতুন খবর নয় কিন্তু গত ৪১ বছরের মধ্যে বরফ গলার সর্বাধিক হার দেখা গিয়েছে গত বছর জুলাই মাসে। আর এই তথ্য উঠে এসেছে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণায়। বিজ্ঞানীদের অনুমান এই প্রবণতা চলতে থাকলে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ আর্কটিক সমুদ্রে কোন বরফই থাকবে না। যা গোটা মানবজাতির পক্ষেই অশনিসংকেত।

দ্য ন্যাশনাল সেন্টার অফ পোলার অ্যান্ড ওশান রিসার্চ (এন সি পি ও আর) সেন্টার আর্কটিক সাগর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চালাচ্ছে। তাদের পর্যবেক্ষণে এই দ্রুতহারে বরফ গলার নেপথ্যে রয়েছে বিশ্ব উষ্ণায়ন।ক্রমাগত বরফ গলার ফলে স্থানীয়ভাবে বাষ্পীভবন, আদ্রতা , মেঘের আনাগোনা এবং ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে সবই বাড়ছে। জার্নাল অফ ন্যাচারাল হ্যাজার্ডসে প্রকাশিত গবেষণায় এনসিপিওআরের বিজ্ঞানী অবিনাশ কুমার, জুহি যাদবরা জানিয়েছেন, ১৯৭৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতি দশকে -৪.৭ শতাংশ হারে বরফ গলছিল। গত বছর জুলাইয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় -১৩%। দেখা যাচ্ছে সারা বছর যাবত এটা বরফ গলছে শীতে তা জমাট পাচ্ছেনা বাড়ছে না ফলে পরিবেশের উপর বিপুল ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা।এর ফলে শুধু তাপপ্রবাহের ঘটনায় শুধু বৃদ্ধি নয়, বৃষ্টির ধরনের পরিবর্তন হবে বাড়বে সমুদ্রতলের উচ্চতা। গত কয়েকদিন ধরে সাইবেরিয়ায় তাপপ্রবাহ চলছে। ভারখয়ানস্ক বিশ্বের শীতলতম স্থান। কিন্তু সেখানকার তাপমাত্রা পৌঁছে গেছে -৩৮ডিগ্রি সেলসিয়াসে।যা সেখানকার চলতি সময়ের স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ ডিগ্রি বেশি। আর্কটিক সাগরের বরফ দ্রুত গলে যাওয়ার পিছনে এই অচেনা তাপপ্রবাহের হাত দেখছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষ সচেতন না হ’লে খুব দ্রুত মানব জাতির উপর চরম বিপদ নেমে আসবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।