জেলা

আজকের হুগলী জেলার খবর:


সোমনাথ ঘোষ,চিন্তন নিউজ: কেন্দ্রের প্রধান মন্দির নিয়ে ব্যস্ত আর রাজ্যের ভাই-ভাইপোদের নিয়ে লুটে ব্যস্ত । প্রতিদিনই প্রায় হাজার করে মানুষের জীবন যাচ্ছে। সরকারকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। মানুষ চরম অসহায়। তাই কৃষকসভা ও ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের উদ্যোগে জনস্বাস্থ্য নিয়ে আজ হুগলীর শিয়াখালা সংখ্যালঘু পাড়ায় বাড়ি বাড়ি প্রচার কর্মসূচিতে ছিলেন সোমনাথ ঘোষ তপন ব্যানার্জি ও লোকনাথ ঘোষসহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

আবীর মুখার্জীর দেওয়া সংবাদ: – ডিওয়াইএফ‌আই এর উদ্যোগে বৈচিগ্রামে গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে মাস্ক বিলি কর্মসূচি।

আবীর মুখার্জীর রিপোর্ট:- আজ দ্বারবাসিনী অঞ্চলের কৃষক সভা ও ক্ষেতমজুর ইউনিয়ান য়ৌথ ভাবে প্রয়াত কমরেড শ‍্যামল চক্রবর্তীকে শ্রদ্বা জানানো হয়।

হুগলি জেলার সংবাদ সংগ্রাহক সুপর্না রায় জানাচ্ছেন যে আরামবাগ এর হরিনখোলায় তৃনমুল এর যুব ও মূল সংগঠন এর গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব এবং পরে বোমাবাজি যে এক যুব সংগঠন এর কর্মীর মৃত্যু হয়।। মৃতের নাম শেখ ইসরাইল খান।।বয়স ছত্রিশ বছর।।গুরুতর আহত তার ভাই হাসিবুল।। তাকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।। কিছু বাড়ী ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর এর ঘটনা ঘটেছে।। পুলিশ গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে ৪০ টি কৌটো বোমা উদ্ধার করে।। আতঙ্কে হরিনখোলা বাজার এর দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়।।

সুপর্না রায় আর‌ও জানাচ্ছেন যে জেলার নালা,নর্দমা , রাস্তাঘাট ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা যাদের দায়িত্ব সেই সাফাইকর্মীরা একেবারেই সুরক্ষিত নয়।। হুগলি জেলায় ১৩ টি পুরসভায় কয়েক হাজার সাফাইকর্মী আছেন।। বিশেষজ্ঞ মহল থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে করোনা সংক্রমণ ও ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে রাস্তাঘাট ইত্যাদি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সাফাইকর্মীদের যথাযথ প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন।। কিন্তু সাফাইকর্মী রা জানিয়েছেন যে তাদের মাত্র একটি মাস্ক ,একটি ছোট সাবান ,ছোট একশিশি স্যানিটাইজার আর একটা ব্যাবহার এর অযোগ্য গ্লাভস দেওয়া হয়েছে।। বিষয় টি নিয়ে সরব হয়েছেন চন্দননগরের নাগরিক সমাজ।। পুরোদমে শুরু হয়েছে বর্ষা আর তার সাথে শুরু জল জমার যন্ত্রণা। একটানা বৃষ্টিতে হুগলি জেলার বহু এলাকা কার্যত ঘরবন্দি। বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা এবং প্লাস্টিকের বেলাগাম ব্যবহারের জন্য পরিস্থিতি এখন হাতের বাইরে চলে গেছে। প্রতিটি স্টেশনের আন্ডারপাস জলে টইটুম্বুর।।ফলে বিচ্ছিন্ন রেললাইনের দুদিক।। উত্তর পাড়ার এক বাসিন্দা জানান যে পুরসভা বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে পুরস্কার পেয়েছে কিন্তু প্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণে পুরকতৃপক্ষের কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।। চন্দননগরের পুর এলাকায় একই অবস্থা।। এখানকার নিকাশি ব্যবস্থাও ভালো না।। চন্দননগরের স্টেশন রোডের মতো ব্যস্ত এলাকায় অল্প বৃষ্টি তেই জল জমে যায়।।টানা দুইদিন ধরে যে বৃষ্টি হলো তাতে জেলা শহর চুঁচুড়ার বহু এলাকায় জল জমেছে। ব্যান্ডেল স্টেশন রোড এ জল জমে রয়েছে।। চুঁচুড়ার সাহেব বাগান,পিরতলা, অরবিন্দ পল্লী, ইঞ্জিনিয়ার বাগান এবং কেওটা এলাকার বাসিন্দারা চরম বিপাকে পড়েছেন। স্থানীয় এলাকাবাসী বলছেন সমস্ত পুকুর বুজে গেছে।। পুরসভা আবর্জনা পরিষ্কার করে না। নিকাশি নালা সব বন্ধ হয়ে গেছে। পরিস্থিতি দিন কে দিন খারাপ হচ্ছে।।একই পরিস্থিতি ডানকুনি , তারকেশ্বর, আরামবাগের মতো গ্রামীণ পুর শহরগুলোর।


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।